,


সংবাদ শিরোনাম:
«» চেয়ারম্যান-মেম্বার নয়; সেনা-নৌ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দ বিতরণ চায় মানুষ «» নবীগঞ্জ উপজেলায় সরকারি বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু করলেন- বিশ্বজিত কুমার পাল «» জগন্নাথপুর জনতাকে সচেতন করতে পুলিশের মাইকিং «» ওসি আহাদের বৃত্তাঙ্কনের সেবা নিচ্ছে গোয়াইনঘাটের জনগণ «» যশোর মণিরামপুরে এসিল্যান্ড দু’বৃদ্ধকে কানধরে উঠবস করালেন «» সিলেটে ঘরে বসে সরকারি খাদ্য সামগ্রী পাচ্ছে ১৫ শতাধিক পরিবার «» বাংলাদেশ নৌবাহিনীর”খুলনা অঞ্চলে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম” «» করোনার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মামলা করবেন ব্যারিস্টার সুমন «» আয়ের পথ বন্ধ, গোলাপগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

অশনিসংকেত: টানা চার মাস রফতানি আয় কমছে

অশনিসংকেত: টানা চার মাস রফতানি আয় কমছে

 

টানা চর্তুথ মাসের মতো সামগ্রিকভাবে পণ্য রফতানি আয় কমেছে। শীর্ষ তিন রফতানি পণ্য- তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত এবং কৃষিপণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক। অন্যান্য খাতের অবস্থাও নাজুক। শুধু পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। সব মিলিয়ে পণ্য রফতানি খাতে অশনিসংকেত বিরাজ করছে।

রফতানি আয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বৃহস্পতিবার এসব তথ্য তুলে ধরেছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে রফতানি আয় ও প্রবৃদ্ধি দুটোই কমেছে। একক মাস হিসেবে নভেম্বর মাসেও রফতানি আয়ের লক্ষ্য অর্জন হয়নি। পাঁচ মাসে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৮০৫ কোটি মার্কিন ডলার। তার বিপরীতে আয় হয়েছে এক হাজার ৫৭৭ কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ কম। এছাড়া ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময় রফতানি আয় ছিল এক হাজার ৭০৭ কোটি ডলার। সে ক্ষেত্রে গত বছরের তুলনায় রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

এদিকে একক মাস হিসেবে শুধু নভেম্বর মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। এ মাসে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭২ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৩০৫ কোটি ডলার। এ ক্ষেত্রে আয় কম পাওয়া গেছে ১৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কমেছে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ।

ইপিবির প্রতিবেদনে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পাঁচ মাসে নিটওয়্যার খাতে রফতানি আয় হয়েছে ৬৮০ কোটি ডলার। আর ওভেন খাতে রফতানি আয় এসেছে ৬২৭ কোটি ডলার। পোশাকের দুই খাতে এসেছে এক হাজার ৩০৮ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৫১৫ কোটি ডলার। আয় কমেছে ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এছাড়া গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে ৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৩ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৩৯ কোটি ডলার। এ ক্ষেত্রে আয় কম হয়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে আয় কমেছে ১০ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

এছাড়া কেমিক্যাল পণ্য খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১১ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৮ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ২১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে আয় বেড়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। হোম টেক্সটাইল খাতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৫ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ২৯ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ১৫ দশমিক ৫১ শতাংশ। আর গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

এর বাইরে কৃষিজাত পণ্য খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৪ কোটি ৪৩ লাখ ডলার, যার বিপরীতে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬২ লাখ ডলার। সে ক্ষেত্রে আট মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেশি হয়েছে শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ। আর গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কমেছে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। হিমায়িত খাদ্য ও মাছ খাতে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ কোটি ৬২ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ২৩ কোটি ৫১ লাখ ডলার। আয় বেশি হয়েছে ১৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। তবে গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কমেছে ৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য খাতে পাঁচ মাসে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৪০ কোটি ৪৭ লাখ ডলার।

Share

Comments are closed.