,


সংবাদ শিরোনাম:
«» সাঈদীর মুক্তি চেয়ে পদ হারিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা «» তাহিরপুরে নদী থেকে যুবলীগ সভাপতির বালু উত্তোলন «» তামাবিলে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ «» সিলেট জেলা পুলিশের উদ্যোগে গোলাপগঞ্জে হত দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» তাহিরপুরে সর্দি কাশিতে গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যুঃ পুরো ফেমিলি লকডাউন, এলাকায় আতঙ্ক «» ধর্মপাশা উপজেলায় ৫ হাজার অসহায় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» জগন্নাথপুরে লোকসমাগমে বিয়ের আয়োজন,কনের বাবাকে অর্থদণ্ড «» তামাবিলে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ «» খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হচ্ছে: হ্যান্ড স্যানিটাইজার «» নবীগঞ্জে ত্রান সামগ্রী নিয়ে নিম্নয়ায়ের মানুষ এর পাশে – এমপি মিলাদ গাজী 

ছেলের লাঠির আঘাতে রোজারত অবস্থায় মায়ের করুণ মৃত্যু!

সিলেট সমাচার ডেস্কঃ রাজশাহীর তানোরে নিজ ছেলের লাঠির আঘাতে রোজারত অবস্থায় এক মায়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে।রবিবার (২৬ মে) দুপুরে উপজেলার মুণ্ডুমালা পৌর এলাকার গৌরাঙ্গাপুর গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।হত্যার পর থেকে মূল ঘাতক ছেলে একরামুল হক (২৮) পলাতক রয়েছে। তবে অন্য দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।নিহত মায়ের নাম রহিমা বেগম (৭০)। তিনি গৌরাঙ্গাপুর গ্রামের সামজাত হাজীর স্ত্রী। তাদের তিন ছেলে সন্তান। এরা হলেন আব্দুল হক (৩০), একরামুল হক (২৮) ও আমিরুল ইসলাম (২০)।মুণ্ডুমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম জানান, রবিবার সকালে রহিমা বেগম বড় ও মেজ ছেলেকে টাকা না দিয়ে তার ছোট ছেলে আমিরুল ইসলামকে দুই হাজার টাকা দেন ঈদের কেনাকাটা করতে। আমিরুল মায়ের দেয়া টাকা পেয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে চলে আসেন মুণ্ডুমালা বাজারে।এদিকে ছোট ছেলেকে টাকা দেয়ার কথা শুনে বড় ছেলে আব্দুল হক ও মেজ ছেলে একরামুল ও তার মায়ের কাছে তিন হাজার করে টাকা দাবি করেন। তাদের মা এক হাজার করে টাকা দিতে চায় কিন্ত দুই ছেলের মন তাতে ভরেনি। এ দ্বন্দ্বে মায়ের সাথে কথা কাটাকাটি শুরুর করে দুই ছেলে। এক পর্যায়ে মেজ ছেলে একরামুল বাড়িতে থাকা একটি মোটা লাঠি দিয়ে তার মায়ে ঘাড়ের উপর আঘাত করলে সেখানেই টলে পড়েন রহিমা বেগম।পরে প্রতিবেশীরা রহিমা বেগমকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে রহিমা বেগম রোজা অবস্থায় ছিলেন।ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু হওয়ায় প্রতিবেশীরা রহিমার লাশ বাড়িতে ফেরত এনেছে। পুলিশ লাশের সুরাহা তৈরি করে রবিবার সন্ধার মধ্যে মর্গে প্রেরণ করেছে। মূল ঘাতক পালাতক রয়েছে। অন্য দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্ততি চলছে।

সূত্রঃ-বিডি২৪লাইভ মিডিয়া (প্রাঃ) লিঃ

Share

Comments are closed.