,


সংবাদ শিরোনাম:
«» তাহিরপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে বিষপানে এক নারীর আত্মহত্যা «» সাঈদীর মুক্তি চেয়ে পদ হারিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা «» তাহিরপুরে নদী থেকে যুবলীগ সভাপতির বালু উত্তোলন «» তামাবিলে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ «» সিলেট জেলা পুলিশের উদ্যোগে গোলাপগঞ্জে হত দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» তাহিরপুরে সর্দি কাশিতে গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যুঃ পুরো ফেমিলি লকডাউন, এলাকায় আতঙ্ক «» ধর্মপাশা উপজেলায় ৫ হাজার অসহায় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» জগন্নাথপুরে লোকসমাগমে বিয়ের আয়োজন,কনের বাবাকে অর্থদণ্ড «» তামাবিলে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ «» খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হচ্ছে: হ্যান্ড স্যানিটাইজার

র‌্যাব হেডকোয়ার্টারসহ ১৭ টি বৃহৎ সরকারি প্রকল্পের কাজ শামীমের হাতে

র‌্যাব হেডকোয়ার্টারসহ ১৭ টি বৃহৎ সরকারি প্রকল্পের কাজ শামীমের হাতে

 

রাজধানীর নিকেতনে যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের অফিসে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব হেড কোয়ার্টার, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতাল, সচিবালয়সহ প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজের একটি তালিকা পেয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তার মালিকানাধীন জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের নামে তিনি এসব কাজ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া ওই অফিস থেকে নগদ টাকা ও স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজসহ অস্ত্র ও মদের বোতল পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে জি কে শামীমের নিকেতনের ডি ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাসায় অভিযান চালান র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। এর আগে নিকেতনে এই যুবলীগ নেতার ১১৩ নম্বর বাসা থেকে তাকে ডেকে আনা হয়।

চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ থাকা রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত শামীম। আজ বিকেল ৪টায় অভিযান শেষে শামীমসহ ৮ জনকে আটক করার কথা জানায় র‍্যাব।

অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপরে এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা তার নামে।

শামীমের নিজ কোম্পানির নামে তালিকায় থাকা প্রক্ল্পগুলোর তথ্য র‌্যাবকে সরবরাহ করে অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা। দিদার নামে শামীমের একজন পিএসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব জানায়, পাঁচ কোটি ৫০ লাখ টাকার র‌্যাব হেডকোয়ার্টার, ৪০০ কোটি টাকায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল ও ৪০০ কোটি টাকায় পঙ্গু হাসপাতালের মত বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কাজ পেয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া ১৫০ কোটি টাকার সচিবালয় কেবিনেট ভবন, ৪০০ কোটি টাকার এনবিআর, ২০০ কোটি টাকার মহাখালী ডাইজেস্টিভ এবং বেইলি রোডে ৩০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প রয়েছে তার হাতে।

পাশাপাশি ২০-২৫ কোটি টাকার অ্যাজমা, ২০-২৫ কোটি টাকার ক্যানসার, ২০-২৫ কোটি টাকার সেবা মহাবিদ্যালয়, ১০০ কোটি টাকার নিউরোসাইন্স, ১০০ কোটি টাকার বিজ্ঞান জাদুঘর, ১২ কোটি টাকার পিএসসি, ৩০-৬০ কোটি টাকার র‌্যাব ফোর্স, ৬৫ কোটি টাকার এনজিও ফাউন্ডেশন এবং মিরপুর-৬ তে ৩০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ রয়েছে এই তালিকায়।

Share

Comments are closed.