,


সংবাদ শিরোনাম:
«» তাহিরপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে বিষপানে এক নারীর আত্মহত্যা «» সাঈদীর মুক্তি চেয়ে পদ হারিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা «» তাহিরপুরে নদী থেকে যুবলীগ সভাপতির বালু উত্তোলন «» তামাবিলে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ «» সিলেট জেলা পুলিশের উদ্যোগে গোলাপগঞ্জে হত দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» তাহিরপুরে সর্দি কাশিতে গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যুঃ পুরো ফেমিলি লকডাউন, এলাকায় আতঙ্ক «» ধর্মপাশা উপজেলায় ৫ হাজার অসহায় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» জগন্নাথপুরে লোকসমাগমে বিয়ের আয়োজন,কনের বাবাকে অর্থদণ্ড «» তামাবিলে অসহায় শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ «» খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হচ্ছে: হ্যান্ড স্যানিটাইজার

সিলেটে সেই যুবকের শরীরে ভয়াবহ করোনা ভাইরাস ধরা পড়েনি

সিলেট শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালে করোনা ভাইরাস সন্দেহে ভর্তি হওয়া যুবকের শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েনি। ঢাকায় পরীক্ষাগারে তার সকল রিপোর্ট বের হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে তার শরীরে ভয়াবহ করোনা ভাইরাস নেই বলে জানিয়েছে একটি বিশ্বস্ত সুত্র। আগামীকাল রবিবার সিলেটে আনুষ্টানিক এই রিপোর্ট আসবে বলে সুত্র জানিয়েছে।

আজ শনিবার ( ৭ মার্চ) বিকেলে সিভিল সার্জন সিলেটভিউ২৪-কে বলেন, কানাইঘাটের ওই যুবকের অবস্থা আগের চাইতে একটু ভালো। সে এখন ঘন ঘন কাশছে না এবং জ্বরের মাত্রাও একটু কম। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার তার রক্ত সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কানাইঘাট উপজেলার সুতারগ্রামের হাফিজ আলী হোসেনের ছেলে দুবাই প্রবাসী জাকারিয়া (৩২) ‘করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে’ গত বুধবার থেকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধিন। জাকারিয়া দুবাইয়ের একটি আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন। সেই হোটেলের সবচেয়ে বেশি কাস্টমার ছিল চীনের নাগরিক। দুবাই থাকাকালীন জাকারিয়ার শরীরে জ্বর উঠে। সেখানে চিকিৎসাও করান। অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় তিনি দুবাই থেকে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি দেশে চলে আসেন। দেশে আসার পরও তার শরীরের জ্বর ও কাশি কমেনি। তাই শরণাপন্ন হন সিলেটের বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের। কিন্তু কিছুতেই কাজ হয়নি।

পরে গত বুধবার তিনি এসব উপসর্গ নিয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। ডাক্তাররা তখন সমস্যাগুলো শুনেন। যেগুলো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর লক্ষণ থাকে এর সাথে দুবাই প্রবাসি এই যুবকের রয়েছে। তখন চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় যেতে বলেন। কিন্তু সে ঢাকায় যেতে না চাওয়ায় তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার তার রক্ত সংগ্রহ করেছে আইসিসিডিআর’র টিম। ওইদিনই রক্ত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য। আর এই রিপোর্ট আসবে আগামীকাল রবিবার।

Share

Comments are closed.