,


সংবাদ শিরোনাম:

গাংনীতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহতের পরিচয় মিলেছে

স্টাফ রিপোর্টার : মেহেরপুরের গাংনীতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় জমসেদ আলী (৪৫) নামের এক ডাকাত সদস্য নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের ২জন সদস্য আহত হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবী করা হয়েছে। নিহত জমসেদ গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের কসবা গ্রামের মৃত ওসমান মন্ডলের ছেলে।

আজ বুধবার ভোররাতে উপজেলার গজারিয়া হেমাতেপুর ও মানিকদিয়া গ্রামের মধ্যেবর্তি জনৈক আমানুল্লাহর কলাক্ষেতের মধ্যে পুলিশের সাথে ডাকাতদলের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় জমসেদ নিহত হয়।

এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে ১টি পিস্তুল, ৪টি বোমা ও ২টি হাসুয়া উদ্ধার করেছে পুলিশ। ডাকাত দলের কয়েক রাউন্ড ছোড়া গুলিতে গাংনী থানায় কর্মরত আব্দুর রাজ্জাক ও খায়রুল ইসলাম নামের দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার (পিপিএম) জানান, গজারিয়া হেমায়েতপুর হয়ে মানিকদিয়া যাওয়ার পথের পাশে আমানুল্লাহর কলাক্ষেতের মধ্যে একদল ডাকাত অবস্থান নিচ্ছিল। ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল এমন খবর পেয়ে এসআই মাহাতাবের নেতৃত্বে পুলিশের একটিদল ওই কলাবাগানের পাশে অবস্থান নেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে। প্রাণ বাঁচাতে পুলিশও পাল্টা গুলি বর্ষণ করলে,ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে কলাক্ষেতের মধ্যে থেকে গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত এক ডাকাত সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাকে তাৎক্ষনিকভাবে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিলে,কর্তব্যরত ডাক্তার এম রেজা মৃত ঘোষণা করেন। পরে এলাকাবাসী নিহতের লাশ কসবা গ্রামের জমসেদ আলীর বলে সনাক্ত করে। নিহত জমসেদ আলীর বিরুদ্ধে গাংনী ও পার্শ্ববতি চুয়াডাঙ্গা এবং আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা,ডাকাতি ,ছিনতাই,চাঁদাবাজিসহ ডজন খানিক মামলা রয়েছে। সে দীর্ঘ বছর পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিল।

Share

Comments are closed.