,


সংবাদ শিরোনাম:
«» সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি)’র পৃথক অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ি আটকঃ «» ‘শেকড়’,কাজী আব্দুল হালিম সানী «» মাঠিয়ান হাওরে বাধ নির্মানে গাফিলতি:- কৃষকদের নানান অভিযোগ «» বিশ্বনাথে আল-ফালাহ একাডেমি অ্যান্ড প্রিন্সিপল উইমেন্স কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন : «» মাটিয়ান হাওরে পোনা মাছ অবমুক্ত «» জগন্নাথপুরে ব্যাপক উৎসাহে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল «» মুজিববর্ষ উপলক্ষে সিলেট মহানগর যুবলীগের প্রস্তুতি সভা শনিবার «» ভারতে সাম্প্রদায়িক হামলা: সিলেটে বামজোটের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত «» বাংলাদেশ ইউনানী মেডিকেল এসোসিয়েশন সিলেট জেলার অভিষেক সম্পন্ন «» হে’ফজখানার ছাত্রীকে কবরস্থানে নিয়ে ধর্ষণ করল শিক্ষক

গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে,পাবলিক টয়লেট কে !

গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে,পাবলিক টয়লেট কে ! (ভিডিও)

 

নিজস্ব প্রতিবেদক::সিলেট সমাচার::

পাবলিক টয়লেট গুলো তৈরি হয় সাধারণত জনগনের কল্যাণের জন্য। যাতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়। সেই জন্যই সরকারের পক্ষ থেকে তৈরি করা হয় এই সব পাবলিক টয়লেট। কিন্তু এই উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডের ভিন্ন চিত্রের সন্ধান মিললো সিলেটের ৪ নং খাদিম পাড়া ইউনিয়নের ইসলামপুর মেজরটিলা বাজারে। যেখানে অবৈধভাবে পাবলিক টয়লেট সামনের অংশ রুপান্তরিত হয়েছে ফলের দোকানে আর টয়লেট গুদামঘরে। যার ফলে ইসলামপুর বাজারের ব্যাবসায়ী এবং সাধারণ যাত্রীদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিদিন। এই বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার ও চেয়ারম্যান নির্বাক। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট সবাই যেন, এটি নির্মাণ করেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

এ যেন, নীতিহীন আর দূর্নীতি গোটা সমাজকে গ্রাস করে ফেলছে! যে দিকে চোখ যায় শুধু দুর্নীতি আর লুটপাত! অনিয়মের ভিতরে আরো অধিক অনিয়ম। মানুষের বিবেক বুদ্ধিমত্তা হ্রাস পাচ্ছে দিনদিন। তেমনি কিছু নীতিহীন কর্ম মানুষের বিবেক কে নাড়া দেয়! 

শত চোখের সামনে যে প্রতিদিনের দৃশ্যমান অথচ অদৃশ্য নাটকীয়ভাবে প্রস্থান এই যাত্রী ছাউনি আর পাবলিক টয়লেটের পাশ থেকে। দৃশ্য এবং অদৃশ্য, সত্যকে জানতে আর খুজতে সিলেট সমাচারের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এই অনিয়ম আর দুর্নীতির কিছু চিত্র।

 

 

৪ নং খাদিমপাড়া ইউনিয়নের একটি জনপ্রিয় বাজার(মেজরটিলা)। যা সিলেট তামাবিল সড়কের পাশেই অবস্থিত। সিলেট সদর হতে প্রায় দেড় কিলোমিটার হবে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তভুর্ক্ত হওয়ার তালিকায় এক নম্বর সারিতে রয়েছে। স্থানীয় এই বাজারটি মধ্যে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট।

যার প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে ছিল অপেক্ষমান যাত্রী ও বাজারের ব্যবসায়ীদের জন্য সেবা প্রদান। কিন্তু প্রাথমিক অবস্থায় কিছুদিন বাজারস্থ ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা সেবা নেন। কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর মেজরটিলা বাজারে পাবলিক টয়লেটের সামনে ঘরে উঠে ফলের দোকান! দোকানদার তাদের নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করেন। দিনে নির্দ্বিধায় চালিয়ে যান ব্যবসা রাতে গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করা হয় পাবলিক টয়লেট কে!

এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দীর্ঘদিন যাবৎ ফলের দোকানদার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের সাথে কথা বলতে গেলে কেউ ক্যামেরার সামনে আসতে রাজি হয়নি। সিলেট সমাচার কে বলা হয়, ফলের দোকানের মালিক নেই। কেউ মালিকের নাম প্রকাশ করেনি। বাজারে ব্যবসায়ী এবং রাস্তায় চলাচলের সাধারণ যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদে যা উঠে আসে, তা অত্যন্ত ঘৃণিত সমাজের জন্য। যে পাবলিক টয়লেট যাত্রীদের সেবার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল তা এখন ফলের গোদাম ঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

আবর্জনা আর অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে ফল বিক্রি হচ্ছে।এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রকাশ্যেই এই ফল বিক্রির দৃশ্য নজর পড়েনি  প্রশাসনেরও চোখে । স্থানীয় মেম্বার আর চেয়ারম্যান এই বিষয়ে নির্বাক ভুমিকা পালন করছেন। বাজারের এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তারা রীতিমত উদাসিন। এই পাবলিক টয়লেটের উদ্ভোধন করে ৪ নং খাদিমপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এডঃ আফসর আহমদ।উদ্ভোধনের পর পরেই এই পাবলিক টয়লেটের বেহাল অবস্থা। এর কোন প্রতিকার দেখছে না বাজারের ব্যাবসায়ী ও যাত্রীগণ।

অনেকের কাছে এই অনিয়মের তথ্য জানতে চাইলে সঠিক তথ্য দিতে রাজি হননি আবার অনেকেই এর প্রতিকারের জন্য স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যান এবং নেতাদের কাছে বিষয়টি সমাধানের জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

সাধারণ যাত্রীদের একটাই চাওয়া সরকারি তহবিল থেকে এই সব নির্মাণাধীন প্রকল্প কেন সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারছে না?? কেন জিম্মি হয়ে থাকতে হয় কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের কাছে? কেনও উন্ননের নাম করে জনগনের সাথে তাদের এমন আচরণ? তাহলে কি শুধু নির্মাণ বাবদ খরচ আর সরকারি খাতায় দেখানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে এই পাবলিক টয়লেট? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে তৈরি করতে যাচ্ছেন তখন কিছু দুর্নীতিবাজ আর প্রভাবশালী ব্যক্তির জন্যই জনগনের কাছে বারবার বর্তমান সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। এর প্রতিকার কোথায়?

Share

Comments are closed.