,


সংবাদ শিরোনাম:
«» তাহিরপুরে ইউ এন ও’র হস্তক্ষেপে কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার «» ওসির কক্ষে ধুমধাম করে যুবলীগ নেতার জন্মদিন পালন «» শাজাহান খানের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে নিসচার সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল «» নগর আ’লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের অনুমতি ছাড়া পোস্টার সাঁটানো নিষেধ «» জগন্নাথপুরে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন «» বেনাপোলে ছিনতাইয়ের ১২ হাজার টাকাসহ ভুয়া সাংবাদিক আটক «» মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত «» জকিগঞ্জে এক ভাই খুনের ঘটনায় আরেক ভাই গ্রেফতার «» শিক্ষার্থীদের জীবন গঠনে পরিবার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা গুরুত্ব অপরিসীম: আজাদ  «» সিলেটে খাদিমপাড়ায় ছেলের হাতে মা খুন ! 

খুলনায় জিআরপি থানায় ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ

খুলনায় জিআরপি থানায় ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ

 

খুলনার জিআরপি (রেলওয়ে) থানায় এক তরুণীকে (২১) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ওই কিশোরী নিজেই আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন।

এদিকে, আদালতের নির্দেশে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রবিবার রাতে ওই তরুণীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে তার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়নি।

আজ সোমবার তাকে আবারও হাসপাতালে নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে, ওসি ঘটনাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

ওই তরুণীর দুলাভাই জানান, গত ২ আগস্ট তার শ্যালিকা যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসেন। ট্রেন থেকে নামার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠান প্রথমে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আরো ৪ জন পুলিশ সদস্য পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরদিন শনিবার তাকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে তার শ্যালিকা তাদের জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, আদালতে বিচারকের সামনে নেওয়ার পর তার শ্যালিকা জিআরপি থানায় তাকে গণধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন। এরপর আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার ডাক্তারি পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

ওসি ওসমান গনি এ ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। তিনি সোমবার সকালে বলেন, শুনেছি ওই তরুণী তাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে আদালতে অভিযোগ করেছে। কিন্তু তাকে মহিলা এসআই এবং মহিলা কনস্টেবল ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। আর থানায় রাতে তিনজন নারী পুলিশসহ ৮জন পুলিশ পাহারায় থাকে। সেখানে তাকে ধর্ষণের কোনো সুযোগ নেই। মূলত ফেন্সিডিল আটকের মামলা থেকে রক্ষা পেতে সে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

(সূএ:দৈনিক ইত্তেফাক)

Share

Comments are closed.