,


সংবাদ শিরোনাম:
«» পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী সহ ৪ জন খুন স্বামীর আত্মহত্যা  «» গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা «» মাদকের অভিশাপ থেকে প্রতিটি পরিবারকে মুক্ত দেখতে চাই : গোলাপগঞ্জে পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন «» তাহিরপুর দুই গ্রুপের  আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা !  «» ভর্তি বানিজ্যের প্রতিবাদে সিলেট “ল” কলেজে মানববন্ধন  «» সিলেট “ল” কলেজে লাগামহীন ভর্তি ফি বাণিজ্য বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন «» শিল্প উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন রকমের প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে:শিল্প সচিব মোঃ হালিম «» যশোরে বিদ্যুতের খুঁটিতে মাইক্রোর ধাক্কা, ৩ জনের মৃত্যু «» ভারতে হোটেলে যশোরের নারী খুন «» বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও স্মৃতি পাঠাগার ছাত্রফেডারেশন বাংলাদেশ গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার সাময়িক স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে জেলা ইউনিট

ছেলের লাঠির আঘাতে রোজারত অবস্থায় মায়ের করুণ মৃত্যু!

সিলেট সমাচার ডেস্কঃ রাজশাহীর তানোরে নিজ ছেলের লাঠির আঘাতে রোজারত অবস্থায় এক মায়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে।রবিবার (২৬ মে) দুপুরে উপজেলার মুণ্ডুমালা পৌর এলাকার গৌরাঙ্গাপুর গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।হত্যার পর থেকে মূল ঘাতক ছেলে একরামুল হক (২৮) পলাতক রয়েছে। তবে অন্য দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।নিহত মায়ের নাম রহিমা বেগম (৭০)। তিনি গৌরাঙ্গাপুর গ্রামের সামজাত হাজীর স্ত্রী। তাদের তিন ছেলে সন্তান। এরা হলেন আব্দুল হক (৩০), একরামুল হক (২৮) ও আমিরুল ইসলাম (২০)।মুণ্ডুমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম জানান, রবিবার সকালে রহিমা বেগম বড় ও মেজ ছেলেকে টাকা না দিয়ে তার ছোট ছেলে আমিরুল ইসলামকে দুই হাজার টাকা দেন ঈদের কেনাকাটা করতে। আমিরুল মায়ের দেয়া টাকা পেয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে চলে আসেন মুণ্ডুমালা বাজারে।এদিকে ছোট ছেলেকে টাকা দেয়ার কথা শুনে বড় ছেলে আব্দুল হক ও মেজ ছেলে একরামুল ও তার মায়ের কাছে তিন হাজার করে টাকা দাবি করেন। তাদের মা এক হাজার করে টাকা দিতে চায় কিন্ত দুই ছেলের মন তাতে ভরেনি। এ দ্বন্দ্বে মায়ের সাথে কথা কাটাকাটি শুরুর করে দুই ছেলে। এক পর্যায়ে মেজ ছেলে একরামুল বাড়িতে থাকা একটি মোটা লাঠি দিয়ে তার মায়ে ঘাড়ের উপর আঘাত করলে সেখানেই টলে পড়েন রহিমা বেগম।পরে প্রতিবেশীরা রহিমা বেগমকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে রহিমা বেগম রোজা অবস্থায় ছিলেন।ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু হওয়ায় প্রতিবেশীরা রহিমার লাশ বাড়িতে ফেরত এনেছে। পুলিশ লাশের সুরাহা তৈরি করে রবিবার সন্ধার মধ্যে মর্গে প্রেরণ করেছে। মূল ঘাতক পালাতক রয়েছে। অন্য দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্ততি চলছে।

সূত্রঃ-বিডি২৪লাইভ মিডিয়া (প্রাঃ) লিঃ

Share

Comments are closed.