,


সংবাদ শিরোনাম:

পর্যাপ্ত জনবল ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে কোটি টাকার (এমআরআই) মেশিন

পর্যাপ্ত জনবল ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে কোটি টাকার (এমআরআই) মেশিন

 

 

আব্দুস সামাদ আজাদ,মৌলভীবাজার:
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে প্রায ছয় মাস যাবৎ কোটি টাকার এমআরআই মেশিনটি অকেজো হয়ে পরে আছে। মেশিনটি চালুর জন্য হিলিয়াম গ্যাস প্রয়োজন, যার মূল্য আনুমানিক ৫০ লক্ষ টাকা। কিন্তু একবার ৫০ লক্ষ টাকার গ্যাস আনলে কাজ করা হয় ৪/৫ লক্ষ টাকার, আর বাকি গ্যাস গুলি নষ্ট হচ্ছে। তার কারণ, কতৃপক্ষ রোগীদের ঢাকা এবং সিলেটের পথে যেতে বাধ্য করছে। যার কারনে সরকারের কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হচ্ছে আর রোগীদের পরতে হচ্ছে ভোগান্তিতে। একবার গ্যাস আনলে গ্যাসের মেয়াদ দীর্ঘদিন থাকে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নির্দেশে সপ্তাহে ১ দিন মেশিনটি চালু করা হয় এমন মন্ত্য করের এমআরআই করাতে আসা জনৈক ব্যক্তি। একটি সূত্রে জানা যায়,মৌলভীবাজারে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৫ জন রোগীকে এমআরআই করতে হয়, এমআরআই টেষ্টের জন্য রোগী হাসপাতালে গেলে নির্দিষ্ট একদিন তারিখ দিয়ে বিদায় করে দেওয়া হয়,। একজন সিরিয়াস রোগীকে ১ সপ্তাহ পরে একটি তারিখ দেওয়া হলে সে বাধ্য হয়ে সিলেট অথবা ঢাকায় যেতে হচ্ছে। সিলেট অথবা ঢাকায় গেলে আট থেকে বার হাজার টাকায় রোগীকে টেস্ট করিয়ে আসতে হয়। একজন রোগী বলেনএখন আমার কথা হচ্ছে, আট দশ কোটি টাকার মেশিন মৌলভীবাজারে থাকা অবস্থায় কেন আমাদেরকে সিলেট আর ঢাকা গিয়ে এমআরআই করাতে হচ্ছে এবং ৫০ লক্ষ টাকার হিলিয়াম গ্যাস কি হচ্ছে? খোঁজ নিয়ে জানা যায় ছয় মাস ধরে মেশিনটি গ্যাসের অভাবে অকেজো হয়ে পরে আছে। অযুহাত দেখানো হচ্ছে, রোগীর অভাবে ৫০ লক্ষ টাকার হিলিয়াম গ্যাস নষ্ট হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের এক কর্মী বলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি এক সপ্তাহ পরে তারিখ দিয়ে রোগী বিদায় করে দেন, তাহলেতো রোগীর অভাব পরবেই। সরকারের দশ কোটি টাকার মেশিন আর পন্ধসঢ়;চাশ লক্ষ টাকার গ্যাস নষ্ট হচ্ছে।সপ্তাহে একদিন তারিখ না দিয়ে যদি প্রতিদিন তারিখ দেওয়া হতো, তাহলে হয়তো সরকারের টাকায় কেনা এতো কোটি টাকার মেশিনটি কাজে লাগতো আর গ্যাস নষ্ট হতো না। আর রোগীদের সিলেট আর ঢাকায় গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হতো না। প্রতিদিন যদি ৫ জন রোগীর সবাই মৌলভীবাজারেই টেস্ট করতে পারতো, তাহলে
সিলেট আর ঢাকায় যাওয়ার প্রয়োজন হতো না এবং সরকারের এতো টাকার সম্পদও নষ্ট হতো না। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের তত্তবধায়ক পার্থ সারথী দত্ত জানান, মেশিনের গ্যাসের জন্য মন্ত্রনালয় এ ব্যাপারে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

 

Share

Comments are closed.