,


সংবাদ শিরোনাম:

সুযোগ পেয়েও ইতিহাস গড়তে পারল না বাংলাদেশ দল

সুযোগ পেয়েও ইতিহাস গড়তে পারল না বাংলাদেশ দল

 

ম্যাচ শুরুর আগেই জানা ছিল জিতলেই হবে ইতিহাস, মিলবে প্রথমবারের মতো ভারতকে তাদেরই মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজে হারানোর গৌরব।

মাঠে প্রতিপক্ষ ১১ খেলোয়াড়, সঙ্গে গ্যালারিতে উপস্থিত প্রায় হাজার চল্লিশেক দর্শক। তার ওপর সাম্প্রতিক সময়ের অস্থির অবস্থাও ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে।

এত সবকিছু পাশ কাটিয়েই সিরিজটি খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। যার শেষ ম্যাচে সমীকরণ দাঁড়ায় জিততে পারলেই হবে ইতিহাস। তরুণ নাইম শেখের সাহসী ব্যাটিংয়ে সে পথে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিণতি হয়েছে প্রতিবারের মতোই, তীরে এসে তরী ডোবানো।

রোগটা পুরোনো, নতুন কিছু নয়। জোড়ায় জোড়ায় আউট হওয়ার রোগ। সে রোগটা এমন এক ম্যাচেই ফিরে আসবে সেটা কে জানত? ভারতের দেওয়া ১৭৫ রানের লক্ষ্য ছুঁতে গিয়ে জোড়ায় জোড়ায় উইকেট হারিয়ে হাত থেকে জয়টা ছুড়ে দিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। অনায়াস জয় দেখতে থাকা এক ম্যাচেও ৩৩ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ।

নাইম শেখ ও মোহাম্মদ মিঠুনের তৃতীয় উইকেট জুটিতে দারুণ এক জয়ের পথেই এগুচ্ছিলো বাংলাদেশ দল। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই দুই ড্যাশিং ব্যাটসম্যান লিটন দাস ও সৌম্য সরকার ফিরে গেলে দলের হাল ধরেন তরুণ নাইম ও সিরিজে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া মিঠুন।

দুজন মিলে মাত্র ৬১ বলে যোগ করেন ৯৮ রান। যেখানে মূলত সঙ্গ দেয়ার দায়িত্বে ছিলেন মিঠুন। কিন্তু ১৩তম ওভারের শেষ বলে ২৯ বলে ২৭ রান করে মিঠুন আউট হওয়ার পরই বদলে যায় সব সমীকরণ। আউটের মিছিলে যোগ দেন মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ ধ্রুবরা। যার ফলে শেষপর্যন্ত মেলে ৩০ রানের পরাজয়।

তবে রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা একদমই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আক্রমণে এসেই চতুর্থ ও পঞ্চম বলে যথাক্রমে লিটন দাস (৮ বলে ৯) ও সৌম্য সরকারকে (১ বলে ০) সাজঘরে ফেরত পাঠান দ্বীপক চাহার। প্রথম ৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ১৮ রান।

 

Share

Comments are closed.