,


সংবাদ শিরোনাম:
«» ধর্মপাশা চেয়ারম্যান কতৃক শিতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ উপস্থিত এম পি রতন «» গোলাপগঞ্জের পৌর এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত «» প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ «» মধ্যনগর রামধানা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট কতৃক মসজিদ নির্মাণ  «» সিলেট থিয়েটার মুরারিচাঁদ আয়োজিত ” পথ নাটক ও সাংস্কৃতিক উৎসব ” সম্পন্ন «» তাহিরপুরে লেপ-তোষকের দোকানে অগ্নিকান্ডে দুই লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি «» তাহিরপুরে সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন বেকাররা «» শাবি শিক্ষার্থীদের পাটকল শ্রমিকের ১১ দফা আদায়ে মৌনমিছিল ও মানববন্ধন «» শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশবিদ্যালয়:- প্রেস বিজ্ঞপ্তি «» মধ্যনগর বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এম পি রতন এর বিনম্র শ্রদ্ধা’র’ মিছিল

স্মরণকালের রেকর্ড ভঙ্গ, রংপুর গ্রামাঞ্চলে পিয়াজের কেজি ৩০০

স্মরণকালের রেকর্ড ভঙ্গ, রংপুর গ্রামাঞ্চলে পিয়াজের কেজি ৩০০

 

অবশেষে স্মরণকালের সকল রেকর্ড ছাপিয়ে জেলা শহরের খোলা বাজারের পেঁয়াজের বাজারে আগুন। যেখানে শহরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায় ঠিক সেই সময় মেহেরপুর জেলার হাট-বাজারগুলোতে পেঁয়াজের কেজি নেয়া হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩১০ টাকা।

তবে পিয়াজের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে ভোক্তাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে পিয়াজের মজুতও প্রচুর তারপরও কেন দফায় দফায় দাম বাড়ছে তার কোন সদুত্তর মিলছে না ব্যবসায়ী আর আড়ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।

এ ব্যাপারে গাংনী উপজেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, তারা সরাসরি আড়ত থেকে পেঁয়াজ নিয়ে আসেন। মোকামেই পেঁয়াজের দাম পড়ছে ২৬০ থেকে ২৭০ টাকা কেজি ফলে সেখান থেকে আনতে গাড়ি ভাড়াসহ অন্যান্য খরচ পড়ে কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা ফলে তার পাইকারী বিক্রি করছেন ৩০০ টাকা কেজি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম মোকামেই বেশি হওয়ায় তাদের বেশি দামে কিনে আনতে হচ্ছে ফলে দাম বেড়েছে। পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি না পেলে হয়তো চলতি সপ্তাহে ৩শ টাকার উপরে পেঁয়াজের দাম উঠবে।’

আড়তদার সবজি ব্যবসায়ী হারুন মিয়া জানান, তারা সরাসরি চট্রগ্রাম থেকে পিয়াজ নিয়ে আসেন। মোকামেই পিয়াজের দাম পড়ছে ১৮০ থেকে ২শ টাকা কেজি ফলে সেখান থেকে রংপুরে আনতে গাড়ি ভাড়াসহ অন্যান্য খরচ পড়ে কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা ফলে তার পাইকারী বিক্রি করছেন ২২০ টাকা কেজি।

অপরদিকে পাইকারী বাজারের কাছেই সিটি বাজার, সেখানে পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে আড়াইশ টাকা কেজি দরে। নগরীর সবচেয়ে বড় সবজি বাজারে ঘুরে দেখা গেছে পেয়াজের দাম আড়াইশ টাকার নিচে বিক্রি করছে না খুচরা ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, বেশি দামে পিয়াজ কিনে আনতে হচ্ছে বলে দাম বেশি।

বাজার করতে আসা চাকুরীজিবি সেলায়মান আলম জানান, আড়াইশ টাকা দামে প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে এটা ভাবা যায়। এত দামে পেয়াজ কেনা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে এক কেজির স্থলে এক পোয়া কিনতে বাধ্য হলাম। তিনি অভিযোগ করেন, পত্রিকায় দেখলাম পিয়াজের দাম একশ টাকার নিচে নামার আপাতত কোন সম্ভাবনা নেই। এর পর থেকেই রংপুরের বাজারে পেয়াজের দাম বাড়া শুরু হয়েছে।

রিক্সা চালক আবদুল বাতেন মিয়া, ক্ষোপের সাথে জানালেন দেশটা কি মগের মুল্লুক পাইছে নাকি ইচ্ছা মতো পেয়াজের দাম বাড়বে অথচ কর্তৃপক্ষের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। রান্নার অন্যতম উপকরণ হচ্ছে পিয়াজ, তার দাম যদি এতো বেশি হয় তাহলে আমাদের মতো নিম্নবিত্তদের পিয়াজ ছাড়াই রান্না করতে হবে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বললেন, পিয়াজের দাম বেশি হবার কারণে কেউ আর কেজি হিসেবে পিয়াজ কিনছেন না। বেশিরভাগ খদ্দের এক পোয়া বা আধা কেজি কিনছেন।

এদিকে পিয়াজের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্রশাসন কি ব্যবস্থা নিয়েছে জানতে রংপুর জেলা প্রশাসক আসিব আহসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি উদ্বেগের। আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহন করছি।

Share

Comments are closed.