,


সংবাদ শিরোনাম:

সিলেট মহানগর বাসীকে শুভেচ্ছা বিনিময়:- নাদেল

সিলেট মহানগর বাসীকে শুভেচ্ছা বিনিময়:- নাদেল

নিজস্ব প্রতিবেদক::

ডিসেম্বর সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের মহা সম্মেলন। একই সাথে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিলেট জেলা ও মহানগর সম্মেলন । এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সিলেট শহর জুড়ে চলছে রাজনৈতিক খেলা, যে খেলায় মেতে উঠেছে ছোট বড় হাজারেও নেতা কর্মীদের উদ্দিপনা এবং অনেক জল্পনাকল্পনা।
ইতিমধ্যে রাজনৈতিক বিভিন্ন উচ্চ পদে আলাদা প্যানেল নিয়ে, কেন্দ্রীয় নেতার ছবি দিয়ে পোস্টারে সিলেট জেলা ও মহানগরের বিশেষক য়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ ঘিরে সারা শহর পোস্টারে ঢেকে গেছে সব কয়টি পয়েন্ট।
সিলেট জেলা ও মহানগর আ. লীগের উল্লেখযোগ্য পদ, যেমন : সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এই তিনটি পদের জন্য বিশেষ বিশেষ ব্যাক্তিত্ব দাবি নিয়ে বিভিন্ন প্যানেল তৈরি হয়েছে।
সিলেট মহানগর আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে একজন যোগ্য, আদর্শ পদপ্রার্থী হিসেবে সিলেট ২৭ টি ওয়ার্ডের সম্মানিত কাউন্সিলর ও মহানগরবাসীর কাছে আবেদন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সিলেট মহানগর আ. লীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক জনাব, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল

ভিডিও

শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল:

রাজনৈতিক জীবন নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন…

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল শুধু একজন নেতা নন, তিনি বটবৃক্ষের ন্যায় একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া একজন সংগ্রামী সৈনিক এবং মহত ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন একজন মানুষ। 

হাজার হাজার কর্মীর হৃদয়ে সম্মানে ভালোবাসায় স্থান করে নেওয়া একটি নাম। ৩৬০ আউলিয়ার পূন্যভূমি সিলেটের রাজনীতির ইতিহাস যারা জানেন তারা সকলেই অবগত আছেন রাজনীতির মাঠে উনার কৃতিত্ব সম্পর্কে৷

বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে আজ সবার মুখে মুখে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের কথা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সার্চ দিলেই অসংখ্য পোষ্ট তাকে নিয়ে! রাজনৈতিক জীবন এভাবেই বদলে যায়, মূহুর্তের ব্যবধানে! সিলেটের মাঠিতে আওয়ামীলীগকে বদলে দেয়ার চাবিকাঠিটা যে তার হাতে, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল সেটা প্রমাণ করেছেন।

রবার্ট ব্রুস সাতবারের হারে থেমে যাননি, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলও বারবার ষড়যন্ত্রের পরও থেমে থাকেননি, ফিরে এসেছেন দুর্বার গতিতে, ধ্বংসস্তুপ থেকে উড়েছেন ফিনিক্স পাখির মতো। রাজনীতি নামের ওয়ান্ডারল্যান্ডে ‘শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল’-এর অবস্থান তাই স্মরণীয় হয়েই থাকবে! . ছাত্রজীবন থেকে মানুষের কল্যাণে আদর্শবোধ নিয়ে রাজনীতির যে পথ নিয়েছিলেন সেখান থেকে আজ অবদি বিচ্যুত হননি। দলের প্রতি, নেতৃত্বের প্রতি তার রয়েছে নিঃশর্ত আনুগত্য, তেমনি রয়েছে কর্মী দরদি এক অসাধারণ সংগঠকের হৃদয়৷

শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়েছিল ১৯৮৬ সালে সিলেট শহর স্কুল (বর্তমান সিলেট সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়) ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। . এরপর ১৯৮৭ সালে সিলেট এম.সি কলেজ ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলা ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৩ সালে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৭ সালে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

২০০৪ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১২ইং সালে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

ছাত্ররাজনীতির সুদীর্ঘ সময়ে একজন আদর্শবান ছাত্রনেতা হিসেবে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ছাত্রলীগকে সংগঠিতই করেননি, বিকশিতও করেছিলেন। জনগণের আস্থা, ছাত্রজনতার ভালোবাসায় একটি প্রকৃত দেশপ্রেমিক ছাত্র সংগঠন হিসেবে ছাতলীগকে তৃণমূল বিস্তৃতই করেননি, গণমুখী চরিত্র দিয়েছিলেন। নিজেদের স্বচ্ছতার সঙ্গে সঙ্গে আদর্শবান কর্মীনির্ভর সংগঠনে প্রাণের সঞ্চার করেছিলেন।

শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, বহুজাতিক তেল-গ্যাস কম্পানী “সিমিটা’র” বিরুদ্ধে আন্দোলন, সৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা হলের (জাহানারা ইমাম) নামকরন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তির পায়তারা প্রতিহত করতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল সংগঠনকে নিয়ে আন্দোলন সহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহন করেন এবং নেতৃত্বদান করেন। যার ফলশ্রুতিতে বারবার কারাবন্দী হন তিনি।

সর্বশেষ ২০০৭ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংগ্রাম ও আন্দোলনের অভিযোগে আবারও কারাবরণ করতে হয় তাকে।

রাজনীতি ছাড়াও জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন অঙ্গনে রয়েছে তার সম্পৃক্ততা এবং পারিবারিক ভাবেও রয়েছে বেশ সুনাম। শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের আরেকটি বড় পরিচয় হল, তিনি এ উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওলিয়ে কামিল আল্লামা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বিশকুটি (রহ.) এর দৌহিত্র।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সিলেট মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মেডিক্যাল কমিটি’র চেয়ারম্যান, সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রি’র পরিচালক, সিলেট এপার্টমেন্ট এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ (সারেগ) ও জাস ইন্সটিটিউট এর সভাপতি এবং বিভাগীয় ক্রিড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। . এছাড়াও তিনি মুসলিম সাহিত্য সংসদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জালালাবাদ অন্ধ কল্যাণ সমিতি, ডায়াবেটিক সমিতি’র মত বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথেও যুক্ত রয়েছেন। 

সিলেটের জনগনকে তার দেওয়ার আছে অনেক কিছুই। তার কাছে জনগনের প্রত্যাশা ও অনেক। আর জনগনের জন্য কিছু করার মন মানষিকতা নিয়ে তিনি সিলেটের একপ্রান্ত থেকে আরেকপ্রান্তে প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছেন। এবার শুধু অপেক্ষা জনগনের প্রত্যাশা পূরনের জন্য দলের সঠিক মূল্যায়নের। দল তার সামর্থ্যের সঠিক মূল্যায়ন করলে উপকৃত হবে সিলেটের সকল জনগন। . আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তানই নন, দীর্ঘ সংগ্রামের পথ হাঁটা এক অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেত্রীও। আর তাই আমরা আশাবাদী প্রজ্ঞাবান বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে ওঠে আসা গনমানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব ও সংগঠক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল শীঘ্রই যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবেন৷

নিবেদিত অংশ বিশেষ:

৫ ডিসেম্বর ২০১৯ সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে সিলেট মহানগর কাউন্সিলরের প্রতি বিশেষ: আহবান জানান,শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।

তিনি বক্তৃতা বলেন যে, বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়তে এবং দেশনেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সিলেট জেলা এবং মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্ব একটি সিদ্ধান্ত।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সম্মেলনে যে সিদ্ধান্ত নিবেন, তথাপি সিলেট জেলা ও মহানগরের কাউন্সিলর বৃন্দ সম্মেলিতভাবে স্বাগত জানাবেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুর যে শিক্ষা ও আদর্শ লালন করে আজ আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হতে পেরেছি তাহার জন্য আমি চির কৃতজ্ঞতা জানায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।

আওয়ামীলীগ সরকারকে বিশ্ব প্রান্তে পৌছে দেওয়া যে মহত প্রচেষ্টা লক্ষে যে সম্মেলন কাউন্সিলরদের কে নিয়ে গঠিত হবে তা সিলেটের ইতিহাসে মাইল ফলক হয়ে থাকবে।

তিনি আশাবাদী, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পেলে, কাউন্সিলরদের কে নিয়ে শেখ হাসিনার ভিশন সফলতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

এছাড়াও আমি কৃতজ্ঞতা জানাই আমার দলের সকল কাউন্সিলর এবং তরুণ প্রজন্মকে, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর ভালবাসায় আজ আমি মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রস্তাব পেশ করেছি। এবং সিলেট ২৭ টি ওয়ার্ডের সম্মানিত কাউন্সিলর এবং আমার প্রিয় আওয়ামীলীগের কর্মী এবং তরুণদের কাছে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা কামনা করছি।

Share

Comments are closed.