,


সংবাদ শিরোনাম:

কেন্দ্রীয় আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেটের – নাদেল

কেন্দ্রীয় আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেটের – নাদেল 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আজ বৃহস্পতিবার। বুধবারও এই বিষয়টি ছিল অনিশ্চিত ও অস্পষ্ট। এমনকি বৃহস্পতিবার ঘটনাঘটার পূর্ব ১ ঘণ্টা আগেও নিজের প্রতি আস্থা ও অঘাত বিশ্বাস এতোটাই তুঙ্গে উঠবে-তা নিজেও জানতেননা তিনি। বলছি- শফিউল আলম নাদেলের কথা। এক সংগ্রামী অধ্যায়ের কথা, এক রুপান্তরিত রাজনৈতিক গল্প কথা,এক সংগ্রামী ছাত্রনেতার জীবনের  কথা।

রাজনৈতিক অধ্যায় এবং বাস্তবিক  কর্মক্ষেত্রে এ রকম যোগ্যতার পুরস্কার প্রাপ্তি শফিউল আলম চৌধুরীর নাদেলের নতুন নয়। এই সাফল্যের প্রতি রয়েছে অনেক ত্যাগ এবং বঙ্গবন্ধু আদর্শের প্রতি অঘাত ভক্তি ও শ্রদ্ধা, যে কারণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক ক্লিন হার্ট বাস্তবায়নে সচ্ছ পরিষ্কার দুর্নীতিমুক্ত রাজনৈতিক সৃষ্টি লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কার রুপ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেট বাসীকে উপহার দিয়েছেন।

শফিউল হক আলম চৌধুরী নাদেল, স্কুল থেকে ছাত্ররাজনীতির হাতেকড়ি দিয়ে এই নেতাই কাঁপিয়েছেন সিলেটের রাজপথ। পর্যায়ক্রমে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন-আপন যোগ্যতায়।

অবশ্য, মেধা আর যোগ্যতার পুরস্কার তিনি এর আগেও পেয়েছেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে সরাসরি যুক্ত হয়েছেন অভিভাবক সংগঠন আওয়ামী লীগে। সবশেষ তিনি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমণ্ডি কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংবাদ সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের নাম ঘোষণা করেন।
স্কুলজীবনেই ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হন শফিউল আলম নাদেল। ১৯৮৬ সালে তিনি নিজের স্কুল সিলেট শহর স্কুল (বর্তমানে সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়) ছাত্রলীগের সভাপতি হন। পরবর্তীতে সিলেট সরকারি কলেজ এবং এমসি কলেজে পড়াকালীন ছাত্রলীগের রাজনীতি করেন তিনি। পরে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য হন নাদেল।

১৯৮৭ সালে তিনি এমসি কলেজ ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৯৩ সালে তিনি সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। পরে ১৯৯৭ সালে হন সভাপতি।

ছাত্রলীগের রাজনীতি শেষে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়ান নাদেল। ছাত্রলীগের জেলা শাখায় রাজনীতি করলেও আওয়ামী লীগের মহানগর শাখায় যুক্ত হন তিনি। মহানগর আওয়ামী লীগে প্রথমে শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হন নাদেল।

২০০৪ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগে শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক হন। ২০১১ সালের নভেম্বর থেকে এখন অবধি এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।

শফিউল আলম নাদেল রাজনীতির বাইরে ক্রীড়াঙ্গনের সাথেও জড়িত। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক, ছিলেন সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকও। এছাড়া সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন নাদেল।

এদিকে, রাজনীতি করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় কারাবরণও করেছেন নাদেল। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাহানারা ইমামের নামে হল নামকরণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির পাঁয়তারা প্রতিহত করার আন্দোলনে ভূমিকা রাখেন তিনি।

Share

Comments are closed.